তাযিয়া, মাতম, তাযিয়া মিছিল : দলীল- যুক্তি, জবাব এবং সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক বিবরণ
মিরপুরে যে জায়গাতে দারুস সুন্নাহ অবস্থিত, তার পাশেই শিয়া ক্যাম্প। এছাড়াও একটু দূরে তাদের কয়েকটি ক্যাম্প আছে । (এমনকি মিথ্যুকরা আমাদের মসজিদকে শিআ মসজিদ নামে অপপ্রচার করে) সেই সুবাদে মুহাররমের তাযিয়া মিছিল প্রতিবছরই দেখে আসছি । আমি খুব আশ্চর্য হই তাদের এসব আচার দেখে। একজন সুস্থ বিবেকবান মানুষ কিভাবে এটাকে মেনে নেয়, কিভাবে এটাকে ধর্মাচার হিসেবে পালন করে, কিভাবে এটাকে শোক প্রকাশ করা বলে তা প্রলয়কাল পর্যন্ত আমাদের অজানা থেকে যাবে হয়তো ।
হোসাইন রা. রাসূলের দৌহিত্র, প্রিয় পাত্র, জান্নাতে যুবকদের সর্দার, উম্মাহর গর্ব, চেতনার উত্স, বীরত্ব ও সাহসের উপমা, পরহেজগারিতা ও সত্যাশ্রয়ীর বিরল দৃষ্টান্ত, আমাদের শেরে তাজ । শিয়া এবং তাদের সমর্থনপুষ্ট তথাকথিত সুন্নীরা যে দাবী করে আমরা হোসাইনকে রা. ভালবাসি না- তা নির্জলা মিথ্যা অপবাদ, বাস্তবতাবিবর্জিত ।
অনুরুপ ইয়াযিদ কোনো সাহাবি নয়, কোনো নেককার পরহেজগার আল্লাহওয়ালা বান্দাও নয় যে, তার অনুসৃত রীতি আমাদের অনুসরণ করতে হবে, তার পক্ষে সাফাই গাইতে হবে । তার ব্যাপারে আমাদের আকীদা তাই যা আহলুস সুন্নাহ ওয়ালা জামাআতের ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ. বলেছেন- "আমরা তাকে ভালবাসি না, গালিগালাজও করি না । কোনো ঈমানদার কি ইয়াযিদকে ভালবাসতে পারে? [শরহুল ওসিয়্যাতিল কুবরা লি ইবনি তাইমিয়া, আব্দুল আযিয রাজেহি, খ: ১০, পৃ: ১২]
আমি তাযিয়া মিছিল নিয়ে কথা বলতে চাই । তাযিয়া অর্থ শোক প্রকাশ । হোসাইন রা. ১০ই মুহাররম ৬১ হিজরিতে ইরাকের কারবালায় চরম সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে শাহাদাত বরণ করেন । সেই উপলক্ষ্যে শিয়ারা তাযিয়া মিছিল করে শোক প্রকাশ করে । যদিও তাযিয়া মিছিল দেখে কারো মনে হবে না যে, তারা শোক প্রকাশ করছে । ১-১০ মুহাররম এই দশ দিন ঢোলের গগনবিদারি শব্দে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয় । সলাতের সময়েও তারা রেহাই দেয় না । বাসায় থাকা তো কঠিন হয়ে পড়ে । অসুস্থ মানুষের এমন কানফাটা আওয়াজে কি অবস্থা হয় আল্লাহ্ই ভালো জানেন। তাযিয়া মিছিলে অংশগ্রহণকারী প্রায় সকলেই কিশোর যুবক, অনেকেই নেশাখোর, ধর্ম বুঝেই না, ইসলামও বুঝে না, শিয়া ধর্মও বুঝে না । মুহাররম আসলেই গাঁজা টানে আর ঢোল পেটায় । শোক প্রকাশের নামে আনন্দ প্রকাশ করে থাকে ।
তাযিয়া ও ও তাযিয়া মিছিলের ইতিহাস:
ক) তাযিয়ার (শোক প্রকাশ) ইতিহাস:
খ) তাযিয়া মিছিলের ইতিহ
